স্বাস্থ্যখাতের সেরা প্রতিবেদন, ডিআরইউ পুরস্কার পেলেন যমুনার সাজ্জাদ পারভেজ

সিটিজি ভয়েস টিভি ডেস্ক:

এ বছর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) স্বাস্থ্যখাতে সেরা প্রতিবেদনের পুরস্কার পেয়েছেন যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সাজ্জাদ পারভেজ। যমুনা টেলিভিশনের অনুসন্ধান বিভাগ টিম থ্রী সিক্সটি ডিগ্রির ‘এ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট’ নিয়ে অনুসন্ধানে কাজ করে এ পুরস্কার জিতেন তিনি। স্বাস্থ্য বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার রোজিনা ইসলামও পেয়েছেন সেরা প্রতিবেদকের পুরস্কার।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়। সংবাদপত্র ও অনলাইন সাংবাদিকতায় ১৩টি এবং টিভি ও রেডিও সাংবাদিকতায় ৯টিসহ মোট ২২ জনকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউশন মিলনায়তনে নগদ-ডিআরইউ বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা প্রদান অনুষ্ঠানে সাজ্জাদ পারভেজসহ সেরা প্রতিবেদকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নারী স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী।

এসময় স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী বলেন,
যে কোনো স্বীকৃতি পাওয়া মানে দায়িত্ব বেড়ে যাওয়া। আমাদের সকল সংবাদকর্মীদের আরও নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরতে হবে। অনুসন্ধনিী প্রতিবেদন করতে হবে। পুরস্কার পাওয়া সবাইকে অভিনন্দন জানাই।

বাংলাদেশ জার্নাল সম্পাদক ও জুরীবোর্ডের চেয়ারম্যান শাহজাহান সরদার বলেন, রিপোর্ট বাছা্ইয়ের ক্ষেত্রে যারা যারা ছিলেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। বিজয়ীদের অভিনন্দন। আমাদের সবার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল।

ডিআরইউ প্রেসিডেন্ট মোরসালিন নোমানী এই অ্যাওয়ার্ড প্রদানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য নগদ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

নগদের কো-ফাউন্ডার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ. শিশুক ডিআরইউর এই পুরস্কার ইভেন্টের সঙ্গে তাদেরকে সম্পৃক্ত করার জন্য ডিআরইউর সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। আগামীতেও ডিআরইউর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সঙ্গে থাকার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নগদের পরিচালক নেওয়াজ মোরশেদ এলিট।

এসময় উপস্থিত জুরীবোর্ডের সকলকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী।

জুরীবোর্ডের সদস্যরা হলেন- মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, সাইফুল আলম, মনোয়ার হোসেন, মোস্তফা কামাল মজুমদার, নঈম নিজাম, মোস্তাফিজ শফি এবং আলমগীর হোসেন।

সংবাদপত্র ও অনলাইন সাংবাদিকতায় ১৩টি পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন: মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস ও ঐতিহ্য ক্যাটাগরিতে দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার আবু সালেহ রনি, শিক্ষায় দ্য বিজনেস রিপোর্টের সিনিয়র রিপোর্টার আব্বাস উদ্দিন নয়ন, অপরাধ ও আইনে ডেইলি স্টারের সিনিয়র রিপোর্টার এ.কে.এম রাশেদুল হাসান, তথ্য-যোগাযোগ ও প্রযুক্তিতে দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার আসাদুজ্জামান, রাজনীতি, প্রশাসন ও সংসদ বিষয়ে দৈনিক আমাদের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার কবির হোসেন, ক্রীড়ায় ঢাকা পোস্টের সিনিয়র রিপোর্টার মো. জুবায়ের হোসেন, স্বাস্থ্য বিষয়ে দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার রোজিনা ইসলাম, সেবাখাতে বাংলা ট্রিবিউনের স্টাফ রিপোর্টার মো. শাহেদুল ইসলাম, কৃষি ও পরিবেশে দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার এস.এ.এম হামিদুজ্জামান, অর্থনীতিতে দৈনিক কালের কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার জিয়াদুল ইসলাম, ব্যাংক-বীমা ও পুঁজিবাজারে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের বিশেষ প্রতিনিধি জেবুন্নেসা আলো, নারী-শিশু ও মানবিকতায় দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার নাজনীন আক্তার এবং বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ে দৈনিক সময়ের আলোর বিশেষ প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম সবুজ।

টেলিভিশন ও রেডিও সাংবাদিকতায় ৯টি পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন: অর্থনীতিতে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি সুশান্ত সিনহা, ব্যাংক-বীমা ও পুঁজিবাজারে একাত্তর টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি কাবেরী মৈত্রীয়, অপরাধ ও আইন-শৃঙ্খলায় মাছরাঙা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার মো. মাজহারুল ইসলাম, তথ্য-যোগাযোগ ও প্রযুক্তিতে নাগরিক টেলিভিশনের চিফ রিপোর্টার শাহনাজ শারমীন, নারী-শিশু ও মানবাধিকারে মাছরাঙা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি কাওসার চৌধুরী, খেলায় চ্যানেল ২৪ এর সিনিয়র রিপোর্টার সালমান সাকীব, স্বাস্থ্যে যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার আবু সালেক মো. পারভেজ সাজ্জাদ, সেবাখাতে এনটিভির বিশেষ প্রতিনিধি শফিক শাহীন এবং সুশাসন ও দুর্নীতিতে একাত্তর টিভির সিনিয়র রিপোর্টার মো. আদনান খান।

মতামত