আনোয়ারা উপজেলার কমিটি নিয়ে বিব্রত দক্ষিণ জেলা বিএনপি

সিটিজি ভয়েস টিভি ডেস্ক:

সারাদেশে তোলপাড় করা ঘটনা চট্টগ্রামের আনোয়ারার ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন হত্যার সাথে জড়িত ব্যক্তিকে আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব করা নিয়ে চরম অস্বস্তি ও সমালোচনার মুখে পড়েছে দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

সদ্য ঘোষিত কমিটির সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি দিয়েছিলেন উপজেলা বিএনপির শীর্ষ আট নেতা।

জামাল উদ্দিন অপহরণ ও হত্যার সাথে জড়িত হেলাল উদ্দিনকে দলের কোন পদ পদবিতে না রাখার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর সব নেতা একযোগে চিঠি দিলেও তাকেই ৬১ সদস্য বিশিষ্ট আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মে)মোশারফ হোসেন চৌধুরীকে আহবায়ক ও লায়ন হেলাল উদ্দিনকে সদস্য সচিব করে ৬১ সদস্যের কমিটি ঘোষণার খবরে উত্তাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির রাজনীতি। উপজেলা বিএনপির নতুন আহবায়ক কমিটিতে আহবায়ক পদ পাওয়া মোশারফ হোসাইনও অভিযোগ পত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন। অভিযোগ পত্রে স্বাক্ষর করা সাতজনকেই উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে।

১৭ এপ্রিল কেন্দ্রে জমা দেয়া লিখিত অভিযোগের তোয়াক্কা না করে তড়িঘড়ি করে কমিটি প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান ও সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ। যদিও তার দুজন কমিটি অনুমোদন দিয়ে স্বাক্ষর করেছেন ২০শে এপ্রিল, আর প্রকাশ করা হয়েছে অনুমোদনের ২৪ দিন পরে ।

কমিটি অনুমোদনের তিন সপ্তাহের বেশি সময় পার করে সেটি প্রকাশ করা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উষ্মা প্রকাশ করছেন দলের নেতাকর্মীরা। অনুমোদনের দিনই কেন কমিটি প্রকাশ করা হলো না সেই প্রশ্নও উঠেছে। এক্ষেত্রে বড় অংকের টাকা লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপির তৃনমূল নেতাকর্মীদের।

অভিযোগ করে দেয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয় হেলাল উদ্দিনের (কালা হেলাল) বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। চেক প্রতারণা মামলায় একবছরের কারাদণ্ড পাওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ করে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপি মহাসচিবকে চিঠি দিয়েছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আট সদস্য। এদের প্রত্যেকেই আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত।

১৭ই এপ্রিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বরাবর দেয়া এক চিঠিতে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আট সদস্য অভিযোগ করেন,মোঃ হেলাল বিএনপি নেতা জামালউদ্দিন হত্যা মামলার আসামী ছিলেন। এই মামলায় তিনি গ্রেফতারও হয়েছিলেন।

‌চিঠিতে আনোয়ারা উপজেলা থেকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে স্থান পাওয়া নয়জনের মধ্য আটজনের স্বাক্ষর ছিলো। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মোশারফ হোসেন চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মন্জুর উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ভিপি মোজাম্মেল, জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট মোঃ ফৌজুল আমিন চৌধুরী, সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন জাহেদ, থানা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির আনসার, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আবু মোহাম্মদ নিপার, মোস্তাফিজুর রহমানের স্বাক্ষর করা চিঠিতে হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেন বিএনপি নেতারা।

চিঠিতে অভিযোগ করা হয় জামাল উদ্দিন অপহরণ ও হত্যা মামলায় মোঃ হেলালের প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকার বিষয়টি এ ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আসামী শহিদ চেয়ারম্যান, কালা মাহবুব, সোবহান ড্রাইভার আদালতে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতে স্বীকার করেছিলেন । মোঃ হেলাল ইতিপূর্বে আনোয়ারার কোন ইউনিয়ন কিংবা উপজেলা বিএনপির পদ পদবীতে কখনো না থাকলেও তাকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য করা হয়। এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে দলের নেতৃত্বে আনা নিয়ে দলের তৃনমুলের নেতাকর্মীদের তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। হেলাল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন, এমন অভিযোগও করেছিলেন তারা।

চিঠিতে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন মোঃ হেলালের বিরুদ্ধে বেশকিছু চেক প্রতারণার মামলা রয়েছে। দলের বিভিন্ন নেতা ও সাধারন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ধার করা টাকা পরিশোধ না করার অভিযোগে বেশকিছু  মামলা রয়েছে মোঃ হেলালের বিরুদ্ধে। একটি মামলায় তার এক বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল।

একটি মামলার নথিতে দেখা যায় চট্টগ্রামের সদরঘাট এলাকার ব্যবসায়ী ফারুকউজ্জামানের দায়ের করা চেক প্রতারণা মামলায় ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি আসামী মোহাম্মদ হেলাল ও রফিক উদ্দিককে এক বছরের কারাদন্ড দেয় আদালত (মামলা (৫৪২/২০১৫)। নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট (এনআই) এ্যাক্টের ১৩৮ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতিতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় চট্টগ্রামের ৫ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বিচারক জহির উদ্দিন , হেলালসহ অন্য আসামিকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক কোটি টাকা জরিমানা করেন। একই মামলায় কারাদন্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামী রফিক উদ্দিন কর্ণফুলী উপজেলার চরলক্ষা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বলে জানা যায় ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে  দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মোশারফ হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০১৪ সাল পর্যন্ত হেলাল মুলত আওয়ামী লীগের সংগঠক হিসেবেই আনোয়ারায় পরিচিতি পায়। পরবর্তীতে দলের একটি সিন্ডিকেটের হাত ধরে বিএনপির রাজনীতি শুরু করেছে। হঠাৎ করেই তাকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। অভিযোগের তোয়াক্কা না করে এখন তাকে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব করা হয়েছে।

শনিবার কমিটি সম্পর্কে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি  গণমাধ্যমে প্রকাশ করার পর যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিএনপি কে করবে, কে করতে পারবে না তা হয়তো নির্ধারিত করা নেই। কিন্তু দলের একজন নেতার হত্যার সাথে জড়িত এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে হাই কমান্ডের ইশারার অজুহাতে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব করা হলো।  আমিসহ আনোয়ারার সব নেতারা এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলাম।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান গণমাধ্যমকে জানান, কারো অভিযোগ নয়,বরং দলীয় ফোরামের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কমিটি করা হবে।

দক্ষিণ জেলা বিএনপির আট সদস্যের দেয়া লিখিত অভিযোগ পাবার বিষয়টি স্বীকার করে সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ জানান, অভিযোগ যে কেউ করতেই পারেন। আমরা তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব। ‘

অনুমোদন হবার তিন সপ্তাহ পরে কমিটি প্রকাশের কারন হিসেবে গ্রুপিং এড়ানোর কৌশলের কথা বলা হলেও বিষয়টি নিয়ে বেশ বিব্রত দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

জেলা বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা জানান, সবাই একাট্টা হয়ে অভিযোগ দিয়েছেন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগগুলো বিএনপির রাজনীতির জন্য অত্যন্ত  স্পর্শকাতর। এবং অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করারও কোন উপায় নেই। একারনে পেছনের তারিখ দিয়ে স্বাক্ষর করা হয়েছে উপজেলার নতুন আহবায়ক কমিটি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় বিএনপি কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানান লিখিত অভিযোগের কপি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে ইমেইলে দেয়া হয়েছে। দলের মহাসচিবকে হাতে হাতে অভিযোগের অনুলিপি দেয়া হয়েছিল। অনুলিপি দেয়া হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকেও। ফলে অভিযোগ তদন্ত করার বিষয়ে লন্ডন থেকে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার অপেক্ষায় থাকা সাংগঠনিক টিমকে প্রশ্নের উর্ধে রাখার কৌশল তড়িঘড়ি করে কমিটি ঘোষণা।

হেলাল উদ্দিনের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহনেরও বিষয়ে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চাউর হয়েছে শনিবার সন্ধ্যা থেকেই।

সুত্রমতে, বিএনপি চট্টগ্রাম বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকও এমন বিতর্কিত ব্যক্তিকে আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিবের মতো পদে বসিয়ে সমালোচিত হতে নারাজ ছিলেন। কিন্তু আগামী সংসদ নির্বাচনে একই ব্যক্তিকে আনোয়ারা আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী করার মিশন সফল করতে এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয়ার ঝুঁকি নিয়েছেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা। গেল সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিএনপির সাবেক এমপি সরওয়ার জামাল নিজাম নির্বাচনে অংশ নিলেও বর্তমানে তিনি আনোয়ারার রাজনীতিতে অনেকটাই নিরব। বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমানকে ২ নং যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে কমিটিতে।

তবে আরেকটি সুত্রমতে, আনোয়ারা উপজেলা বিএনপির কমিটি নিয়ে লিখিত  অভিযোগের বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে এলে স্পর্শকাতর সংবাদ প্রচারিত হবার আগেই পেছনের তারিখে (২০ এপ্রিল)  কমিটি অনুমোদনের স্বাক্ষর করতে হয়েছে তাদের। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠিয়ে জানানো হয়েছে আনোয়ারা উপজেলা, সাতকানিয়া উপজেলা, সাতকানিয়া পৌরসভার কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

জামাল উদ্দিনের অপহরণ :
২০০৩ সালের ১৩ জুলাই বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী নগরীর বহদ্দারহাট থেকে অপহৃত হন। অপহরনের প্রায় দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৪ আগস্ট কাশেম চেয়ারম্যানের সহযোগী ও অপহরণ দলের সদস্য কালা মাহবুবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জামাল উদ্দিনের কঙ্কাল ফটিকছড়ির দইজ্জ্যাখালি পাহাড় থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল।

চাঞ্চল্যকর এ অপহরনের পর ২০০৩ সালে ২২ জুলাই  মামলা করেন জামাল উদ্দিনের ছেলে চৌধুরী ফরমান রেজা লিটন।

হেলালের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জামাল উদ্দিনের ছেলে চৌধুরী ফরমান রেজা লিটন বলেন, অপহরণের পর আমার বাবার কঙ্কাল ছাড়া কিছুই আমরা পাইনি। সিঙ্গাপুরে ডিএনএ পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যায় উদ্ধার করা কঙ্কালটি আমার বাবার। অপহরণ ও হত্যাকান্ডের পর গ্রেফতার হওয়া আসামীরা ১৬৪ ধারার জবানবন্দি দিলেও তদন্তকারী কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে এ ঘটনার মুলহোতাদের বাদ দিয়েছেন। গ্রেফতারকৃত তিনজনের ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তির পর র্যাবের এর হাতে আমার বাবা জামাল উদ্দিন হত্যা মামলার অন্যতম আসামী মোহাম্মদ হেলালসহ আটজন গ্রেফতারও হয়েছিলেন। আসামীদের চারজনকে চার্জশিট থেকে বাদ দেবার কারনে আমি আদালতে নারাজি দিয়েছি। আমি ও আমার পরিবার দেড় যুগের বেশি সময় ধরে ন্যায় বিচারের জন্য আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। আমার বাবা আমৃত্যু বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। এখন আমার বাবার হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কেউ বিএনপির নেতা হয়েছেন বা হবেন এটি আমাদের জন্য অপমানজনক, কষ্টকর ।

মামলার ১৬ বছর গত হলেও মুল আসামিদের বাদ দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি, জালাল উদ্দীনের পরিবারের নারাজি দাখিল,হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ, স্বাক্ষ্য গ্রহনে ধার্য করা দিন পরিবর্তনের জটে চট্টগ্রামের শিল্পপতি ও বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন অপহরণ ও হত্যাকান্ড মামলার নিষ্পত্তি হয়নি এখনো।
এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া
শহিদ চেয়ারম্যানের দেয়া জবানবন্দির কপি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় ফটিকছড়ির কাসেম চেয়ারম্যানের সাথে শহিদের পরিচয় করিয়ে দেন আনোয়ারার হাইরদর এলাকার হেলাল উদ্দিন। ২০০৫ সালের ২০ আগস্ট আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে জামাল উদ্দিন অপহরণের আগে পরে বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ করতে গিয়ে হেলালের নাম উল্লেখ করেন শহিদ চেয়ারম্যান।

এবিষয়ে গণমাধ্যমের সাথে কোন কথা বলতে রাজি হননি দক্ষিণ জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এমন স্পর্শকাতর অভিযোগের তীর যার দিকে সেই হেলালকে মোবাইলে ফোন করে মিলছে না, কমিটি ঘোষণার পর থেকে।

মতামত