ই-পেপার | শনিবার , ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
×

সাতকানিয়ার অসুস্থ দুবাই প্রবাসী নুরুল আমিন গৃহে ফিরলেন ব্র্যাকের সহায়তায়

উপজেলা প্রশাসনও দিলো নগদ অর্থ, চাল এবং খাদ্য সামগ্রী

সিটিজি ভয়েস টিভি ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (দুবাই) দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত ছিলেন সাতকানিয়া উপজেলার চরতী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মৃত আবদুল হকের ছেলে নুরুল আমিন। বিদেশে থাকার জন্য বৈধ ভিসা না থাকার কারণে এক সপ্তাহ আগে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। জেলে ১ সপ্তাহ থাকার পর গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (দুবাই) থেকে অসুস্থ অবস্থায় ৭ বছর পর দেশে ফিরেন তিনি।

ব্র্যাক এর পক্ষ থেকে জানা যায়, অসুস্থ নুরুল আমিন দেশে ফেরত আসার পর ঢাকা এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন কর্তৃক তার স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তার পরিবার তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম কর্তৃক তাকে রিসিভ করে ব্র্যাক মাইগ্রেশান ওয়েলফেয়ার সেন্টার, আশকোনা ঢাকায় রাখা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী জোসনা আক্তার সিটিজি ভয়েস টিভিকে বলেন, বিদেশে থাকার বৈধ ভিসা না থাকার কারণে এক সপ্তাহ আগে সেখানকার পুলিশ আমার স্বামীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়, ধারনা করা হচ্ছে সে খানে তিনি স্টোক করেন এরপর অসুস্থ হয়ে যান, তারপরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে দেশে ফেরত পাঠায় কিন্তু কখন দেশে আসবে সেটা আমরা জানতাম না। যখন ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে উনাকে নিয়ে আসার জন্য কল আসে, তখন আমি বলেছিলাম আমি মেয়ে মানুষ ঢাকায় যেতে পারছিনা উনাকে চট্টগ্রাম অথবা পারলে কেরানীহাটে পাঠিয়ে দিলে আমরা এদিকে রিসিভ করব। কিন্তু ওনাকে পরিবার নিবে না এটা মিথ্যা কথা, আমরা এই ধরনের কোন কথাই বলিনি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আমিন সিটিজি ভয়েস টিভিকে জানান, তিনি নিজে ও নুরুল আমিনের স্ত্রী জোসনা আক্তার বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টার থেকে অসুস্থ নুরুল আমিনকে গ্রহণ করেন এবং শুক্রবারে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নিদের্শনায়, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুবাই ফেরত শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ প্রবাসী নুরুল আমিন কে (১৬ মার্চ শনিবার) দেখতে যান সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন বিশ্বাস। এসময় তিনি নুরুল আমিনের পরিবারের খোঁজ খবর নেন, নগদ ২০ হাজার টাকা, ১০০ কেজি চাল ও তার পরিবারের জন্য প্রায় এক মাসের খাদ্য সামগ্রী প্রদান করেন।